Wednesday, November 19, 2014

ভর্তি পরীক্ষা : ক্যালকুলেটর ছাড়া ফিজিক্সের ম্যাথ (২য় পর্ব)

কাজ, শক্তি ও ক্ষমতা: কাজের পরিমাণ নির্নয়,বিভব শক্তি ক্ষমতা নির্নয় যে ম্যাথগুলা দুই চার লাইনে করা যায় সেগুলা করতে পারো। দক্ষতা নির্নয় এ দশমিকে মান দেয়া থাকে বলে না করলেও চলে। বিভব শক্তি থেকে গতিশক্তির রূপান্তর, কাজ শক্তি উপপাদ্য, ধনাত্মক -ঋণাত্মক কাজ, ঘর্ষন বল ব্যাপারগুলাতে নিজের ধারনা পরিস্কার করে নাও।
মহাকর্ষ: “G” এর মান দেয়া থাকলে ক্যালকুলেটর ছাড়া অসম্ভব।ম্যাথ কম করলেও হবে এখান থেকে। মুক্তিবেগ, কেপলারের সুত্র,অভিকর্ষ কেন্দ্র, সুর্য পৃথিবীর ভর-ঘনত্ত, ভূপৃষ্ঠের বিভিন্ন স্থানে অভিকর্ষজ ত্বরন, ভু অভ্যান্তরে কিংবা উপরের দিকে গেলে “g” এর মানের পরিবর্তন ব্যাপারগুলা গুরুত্ব দিয়ে পড়ো।

৩৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ৬ ফেব্রুয়ারি

৩৫তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ৬ ফেব্রুয়ারি। পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আ ই ম নেছারউদ্দিন আজ (বৃহস্পতিবার) এ তথ্য জানান।
পরীক্ষায় অংশ নিতে আবেদন করেছেন ২,৪৪,১০৭ জন প্রার্থী। এর আগে কোনো বিসিএসে এত সংখ্যক প্রার্থী আবেদন করেননি।
১,৮০৩টি শূন্য পদে নিয়োগ দিতে গত ২৩ সেপ্টেম্বর ৩৫তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি। আবেদনের শেষ তারিখ ছিল গত ৩০ অক্টোবর।

সংগ্রহে রাখুন ২০১৫ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার সময়সূচি

মাধ্যমিক (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা-২০১৫’র সময়সূচি অনুমোদন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। পূর্বে ঘোষিত সময়সূচী অনুসারেই আগামী ২ ফেব্রুয়ারি থেকে এই পরীক্ষা শুরু হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ১৮ নভেম্বর মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে উক্ত অনুমোদিত সময়সূচী প্রকাশ করেছে।
গত ২৮ অক্টোবর ২০১৪ তারিখ মঙ্গলবার খসড়া সময়সূচি প্রকাশ করে মতামতের জন্য ওয়েবসাইটে দেওয়া হয়। উক্ত সময়সূচী অপরিবর্তিত রেখে সর্ব সম্মতিক্রমে ১৮ নভেম্বর সোমবার পুনরায় এই সূচী প্রকাশ করা হয়।
এর আগে প্রশ্ন ফাঁস রোধে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ পাবলিক পরীক্ষার মধ্যে বিরতি না রেখে সূচি করার কথা জানিয়েছিলেন। কিন্তু এর প্রতিবাদে বিভিন্ন স্থানে ছাত্র-ছাত্রীরা বিক্ষোভ করে। তাই চূড়ান্ত সূচিতে দুই পরীক্ষার মাঝে বিরতি রাখা হয়েছে। এবারও সকালের পরীক্ষা ১০ থেকে ১টা এবং বিকালের পরীক্ষা ২টা থেকে ৫টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। প্রকাশিত সময়সূচী নিচে দেওয়া হলোঃ

Tuesday, November 18, 2014

ভর্তি পরীক্ষা : ক্যালকুলেটর ছাড়া ফিজিক্সের ম্যাথ (১ম পর্ব)

ভেক্টর:‬ ডট গুনন, ক্রস গুনন, সমান্তরাল একক ভেক্টর নির্নয়, কিংবা “m” এর মান কত হলে ভেক্টরদ্দ্বয় লম্ব হবে এই টাইপের ম্যাথগুলা করা যায়,মধ্যবর্তী কোণ নির্নয়, লম্ব অভিক্ষেপ নির্নয় ক্যালকুলেটর ছাড়া করা যাবেনা, বাদ।
‪‎রৈখিক গতি: চ্যাপ্টারের সামান্য কয়টা অঙ্ক করা যাবে, বেশিরভাগ ক্যালকুলেটর ছাড়া করা যাবেনা, ত্ব্বরন নির্নয়, বেগ নির্নয়, অতিক্রান্ত দুরত্ত, ব্রেক চেপে কত্ত দূর গিয়ে থামবে, নিক্ষিপ্ত বস্তুর সর্বোচ্চ উচ্চতা বা উঠতে যে সময় লাগে এই সোজা ম্যাথগুলা দেখা যায়। গুলি কতদুর প্রবেশ করবে এই টাইপের ম্যাথগুলা বাদ।
‪‎দ্বিমাত্রিক গতি:‬ এই চ্যাপ্টার একেবারেই ক্যালকুলেটর ছাড়া সম্ভব না। সবচেয়ে কম গুরুত্ব দিলেও হবে।
‪‎গতিসুত্র: অনেক ম্যাথ ক্যালকুলেটর ছাড়া করা যায়।বল নির্নয়, মিলিত বস্তুর বেগের ক্ষেত্রে সহজ ম্যাথগুলা,ঘর্ষন সহগের কিছু সহজ অঙ্ক আছে।বন্দুকের পশ্চাত বেগের অঙ্কগুলা করা যেতে পারে। তবে গুলি কতদুর প্রবেশ করবে এগুলা করা লাগবে না।
কৌণিক গতিসূত্র: জড়তার ভ্রামক, টর্ক, কৌনিক বেগ ও অরবেগ নির্নয় ম্যাথগুলা করা যায়, তবে ব্যাংকিং কেন্দ্রমুখী বলের ম্যাথগুলা না করলেও চলবে।
সময় কমানো হয়েছে, তাই ম্যাথ এর চেয়ে থিউরী প্রশ্নের গুরুত্ব বেশি দেয়া উচিত। বিভিন্ন রাশির একক, মাত্রা, বিভিন্ন সুত্রের প্রকাশ কি দিয়ে করা হয়, ছোট ছোট রাশির সংজ্ঞাগুলি এবং তাদের সমীকরনিক প্রকাশ, কোন বিজ্ঞানী কোন সুত্র আবিস্কার করছেন এগুলার দিকে জোর দেয়া উচিত। সর্বোপরী বই এর লাইন গুলো ভা্ল করে দেখা শুরু কইরা দাও। বিশাল বিশাল সাইজের প্রমান না পড়লেও চলবে।
- নাজিরুল ইসলাম নাদিম, পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

ফিজিক্স বুঝার সহজ উপায়

ফিজিক্স (Physics) আমার কাছে এক রহস্যময় বিষয়। অতিমাত্রায় কাঠখোট্টা মনে হয় অনেকের কাছেই। এই জিনিস পড়তে নিলে বেশিরভাগই আমার মাথার উপর দিয়ে চলে যায়। তখন খুব অসহায় লাগে। অতিমাত্রায় কাঠখোট্টা মনে হয় অনেকের কাছেই। তাই ঘেটেঘুটে একটি নোট তৈরী করলাম আমার এবং আমার সমগোত্রীয়দের জন্য, শুধুমাত্র Physics বুঝার জন্য! শুরু করি…
লেকচারের পূর্বে বিষয়বস্তু (Topic)পড়া :
কোনো বিষয় নিয়ে পড়ার সময় আগে শুধু রিডিং করে তা বুঝতে ও নিজে নিজে তা আয়ত্ত করার চেষ্টা করতে হবে। নিজের পূর্বের পঠিত বিষয়গুলোর মাধ্যমে নতুন বিষয়টির সাথে আন্তঃসম্পর্ক খুঁজতে হবে, ও নিজের কনসেপ্ট ডেভেলপ করতে হবে। এর মধ্যে আবার ম্যাথটিকাল টার্মগুলোর পক্ষে বা বিপক্ষে কোনো শক্ত ধারণা পোষন না করাই  ভাল।
ক্লাসগুলোতে মনযোগ দেয়া :
পূর্বে নিজের মাঝে তৈরী করা কনসেপ্টগুলোকে এই সময়ে পুরোপুরি স্বচ্ছ করে নিতে হবে। দূর্বোধ্য অংশগুলো এই সময়েই ক্লিয়ার করে নিতে হবে। স্যার যখন ম্যাথমেটকাল টার্মগুলো প্রতিপাদন করবেন তখন পুরো Derivation টি মনে না থাকলেও অন্তত “পর্যায়ক্রমিক যা ঘটছে” তার আপনার সাধারন ধারনা রাখুন। ক্লাসগুলো চলাকালীন  নোট করুন ও স্যারকে প্রশ্ন করুন।( আমাদের পরিচিত পরিবেশে আমরা নিজেরা তো প্রশ্ন করিই না, আরেকজন প্রশ্ন করে বসলে থাকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলতে ও ছাড়িনা। প্লিজ এটা করবেননা।)
বাড়িতে রিভাইজ করা :
আহরিত জ্ঞানকে আত্মস্থ করার জন্য বাড়িতে গিয়ে পড়াকে আবার রিভাইজ করুন। ম্যাথম্যাটিকাল কনসেপ্টগুলো হাতে কলমে প্রয়োগ করতে হবে।
অনুশীলনীর প্রশ্ন সমাধান করা :
Finally এই কাজটি আপনাকে পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত করবে । পাশাপাশি এর মাধ্যমে টপিক সম্পর্কে আপনার ধারণা আরো স্পষ্ট হবে।
টিপস :

Blogger news